ফ্রিলান্সিং বা আউটসোর্সিং গুজব | The myth about freelancing and outsourcing

আমাদের দেশে বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ আছে – “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও নাহ”।

আশাকরি আপনারা সব্বাই ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। আপনারা নিশ্চয়ই “মাল্টি টাস্কিং” শব্দটা শুনেছেন। আমি যদি একটা মোটরসাইকেলে বসে যেতে যেতে আপনাদের সাথে কথা বলি তাহলে সেটা ঠিক মাল্টি টাস্কিং না। কিন্তু আমি যদি ঐ বাইকটা চালাতে চালাতে আপনাদের সাথে কথা বলি তাহলে সেইটা হবে একটা পিউর মাল্টি টাস্কিং। এখন অনেকেই হয়তো দ্বিমত করবেন যে একটা ভালো যোগ্যতা মাল্টি টাস্কিং, সেটাকে আমি সম্ভাব্য ভয়ঙ্কর একটা দুর্ঘটনার সাথে তুলনা করছি। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই অনুমান করেছেন। ফ্রীলান্সিং এ মাল্টি টাস্কিং একটা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তাদের জন্য যারা কেবল মাত্র শুরু করেছেন বা করতে যাচ্ছেন। কেন! তা একটু পরেই বলছি।

আই. টি সেক্টরে বাজ ওয়ার্ড হলো ফ্রীল্যানসিং এবং আউটসোর্সিং। কোন একটা বিষয়ে নিজেকে যোগ্য করে তোলার আগেই আমরা ভাবি “কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?”, “কোন লাইনে টাকা বেশি”, “এমন একটা ঢিল মারবো যে টাকা গ্যারগ্যার করে আসতে থাকবে।” এইরকম হাজারটা অবান্তর চিন্তা। আর এই চিন্তা আসবেই বা না কেন যেখানে কিছু সো কল্ড আই.টি ট্রেইনিং দেয়া কোম্পানিগুলো চটকদার বিজ্ঞাপনে নানান আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে – যে যেদিকে – যেভাবে পারছে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। একটা ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আর্টিকেল থেকে উদ্ধৃতি দিচ্ছি, নাম বলবো নাহ। সেখানে রাইটার লিখেছেনঃ
“রাতারাতি বড়লোক হবার বাহারি ও রকমারি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে আকৃষ্ট করার পায়তারায় মত্ত আছে একটি শ্রেনী।
সি পি এ মার্কেটিং এর নামে ডেটিং আর বেটিং অফার নিয়ে কাজ করে, ১০০% চিটার এরা, মানুষ কে হারাম কাজ শিখায়, অনেক টাকা ইনকাম হবে এমন লোভ দেখিয়ে ভর্তি করায়, বলে ২-৩ টা ক্লাস করলে ইনকাম এর ছড়াছড়ি, মানুষ আর নিজেকে ধরে রাখতে পারে না, তখন ভর্তি হয়, ধরা খেয়ে ফিরে আসে। এদের ক্লাসে ফেসবুক, টুইটারের ৪/৫ টা বেসিক ক্লাস ছাড়া কিছুই নাই।
অনলাইন আরো কিছু অ্যাড দেখবেন ১০০, ৫০০ বা ৫০ জনকে কাজ দিবো, টীম হয়ে কাজ করতে চান? এই আরেক বড় বাটপার, তাদের এতো দরদ কেন, তার কারণ আপনি তাদের আন্ডারে কাজ করবেন ওরা লাভবান হবে, অথবা তাদের রেফারেলে কাজ করবেন ওরা কমিশন পাবে। আবার অনেকে কোর্স করতে গিয়ে ধরা খায় , আবার ভিডিও দিবে বলে টাকা নিয়ে ব্লক মারে আরো কত কি !!!
আমার কথা হল, এত সহজে যদি অনলাইনে কাড়ি কাড়ি ডলার/টাকা কামানো যেত তাহলে পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ স্রেফ টাকা উপার্যনের জন্য দিন রাত খাটা খাটুনি বন্ধ করে একখানা কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন নিয়ে যার যার ঘরে বসে যেত, আর ডলার আয় করত। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা একটু ভিন্ন।”

তো এই ছিলো সেই ভদ্রলোকের বিরক্তির চরম মাত্রার একটি লেখার অংশ বিশেষ।
তবে আমি দেখেছি কেউ কেউ আবার হাস্যকর স্টুডেন্টদের ইনকামের প্রুফ – ছবি সহ, ডলার ট্রান্সাকশনের ছবির তকমা লাগাচ্ছে। আরে ভাই এইসব কিছু তো পাবলিক ইনফর্মেশন। যেগুলো আপনিও যে কারো প্রোফাইলে গেলে তাঁর পোর্টফলিওতে দেখতে পাবেন। আর ডলার ট্রান্সাকশন! ইহা সত্যি সত্যিই এডিট করা যায়।

আমার এক বন্ধুকে কেমন আছিস জিজ্ঞেস করলেই বলতো “The rolling stone gathers no moss.”, ওর ভাষায় এর বাংলা মানে হলো “গড় গড়াইন্না পাথরে কখনও সেঁওলা জমে না”। আপনাকে ঠিক তেমন হতে হবে। কোথাও থেমে গেলে হবেনা। চলতেই হবে শুধু চলতেই হবে সফলতা না আসা পর্যন্ত। তারপর একদিন হয়তো ঠিকই অবসর যাপনই আপনার কাছে আর ভালো লাগবে না।

এবার আসি কাজের কথায়। একজন ফ্রীল্যান্সার হিসেবে আপনি Graphic Design শিখতে পারেন, Web Design, Web Development, Mobile apps, SEO, Affiliate Marketing ও শিখতে পারেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো কোনটা দিয়ে শুরু করবেন?

আমার পরামর্শ হলো আপনি যদি একজন চারুকলা আর্টিস্ট হয়ে থাকেন তবে গ্রাফিক ডিজাইন দিয়ে শুরু করুন; অন্যথায় আপনি দক্ষ সব আর্টিস্টদের মাঝে অসহায় বোধ করবেন। Web design না শিখেই Web development, Mobile Apps শেখা যায় তবে হাইস্কুলটা না হয় পাশ করেই এডভান্স লেভেলে যান। SEO এবং Affiliate Marketing নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা হয়, অথচ এই সেক্টরে যারা সফল তারা বলছে যে কাজ শিখে সফলতা আসতে ৬মাস থেকে ১ বছর বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। আর আপনি চাইছেন কাল থেকেই ইনকাম শুরু। তাহলে ওয়েব ডিজাইনই আপনার একমাত্র ভরসা। আর এটা সর্বজন স্বীকৃত যে Web design আপনার অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জনের রাস্তাটা অনেক সহজ করে দিবে।

তবে মনে রাখবেন এই বিষয়গুলো একজন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবেঃ

  • সিদ্ধান্তহীনতা
  • পর্যাপ্ত দক্ষতার অভাব
  • পোস্ট সেলকে গুরুত্ব না দেওয়া
  • হাল ছেড়ে দেয়া
  • অলসতা
  • কম টাকায় কোথায় ফ্রিল্যান্সিং শিখায় এই চিন্তা বাদ দেয়া।

আরে ভাই শুরুতেই মাসে বিশ পঞ্চাশ হাজার টাকার স্বপ্ন দেখছেন সেখানে কাজ শিখতে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ খরচ করবেন না?
তা না হলে ভালো শিখবেন কিভাবে? প্রতারিত হবেন আবার ফিরে আসবেন, আবার অন্য কোথাও প্রতারিত হবেন কারণ আপনার লোভ বেশি, আপনি রাতারাতি বড়লোক হতে চান। আর হ্যাঁ শুরুতে বলেছিলাম “মাল্টি টাস্কিং” ভালোনা। ঠিক তাই। একসাথে সবকিছু শিখে ফেলতে চাইবেন কেন? যেকোনো একটা আগে ভালভাবে শিখুন। ইনকাম করা শুরু করুন তারপর না হয় অন্যগুলো নিয়ে ভাববেন।

যাইহোক এরকম আরও মোটিভেশনাল প্যাঁচাল ছাড়াও কোর্সে কি কি বিষয়বস্তু আছে সেগুলো দেখে আসুন। বর্তমানে শুধুমাত্র Udemy তে কোর্সটি পাওয়া যাচ্ছে। এই লিঙ্কে যেয়ে অন্তত দেখে আসুন কি কি আছে এই Complete Web Design in Bangla – from Zero 2 Hero কোর্সে।

পরিশেষে আবারও বলছি “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও নাহ”।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এ সাফল্যের ৭ টি টিপসঃ পর্ব – ১

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি ?

শুরুতেই আমাদের জেনে নেয়া প্রয়োজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ যারা না জেনে বুঝেই কিছু ভিডিও কিংবা আর্টিকেল পড়েই কাজে নেমে পড়েছেন তাদের এই সেক্টরে হতাশ হওয়ার সম্ভাবনা টা অনেক বেশি তাই আপনাকে তৈরি হতে হবে একজন সফল এবং   কর্মঠ অ্যাফিলিয়েট ব্যক্তি হিসেবে অনলাইনে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের বিপুল চাহিদা রয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে, অনলাইনে উপার্জনের জন্য অনেক উপায় রয়েছে। এই মধ্যে, এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো অন্যতম ।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে অনলাইনে অর্থ উপার্জন করা প্রতিযোগিতামূলক, তবে যদি সঠিক পদ্ধতি এবং কৌশলগুলি প্রয়োগ করা হয় তবে এটি অনলাইনে প্রচুর অর্থ উপার্জন করার একটি লাভজনক উপায়। 

কিভাবে আপনি একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে পারেন সেই সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত খুঁটিনাটি আলোচনা করবো তার মূল কারণ হলো, আপনি একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার কিংবা অ্যাফিলিয়েট ব্যক্তিত্ব হলে আমাদের দেশ অন্যান্য ব্যক্তিদের আয়ের উৎস করে দিতে পারবেন।মূল কথা হলো আপনি নিজেকে একজন উদ্যোক্তা হিসেবে প্রকাশ করতে পারবেন। আর আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রত্যেকটি মানুষকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করা। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং মূলত একটি পেশা যেখানে আপনি আপনার দক্ষতা এবং পরিশ্রমের বিনিময়ে অর্জন করতে পারেন একটি সাফল্যময় ক্যারিয়ার। কিভাবে আপনি একজন সফলকাম অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে পারেন সেটি  আমরা পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি আর্টিকেলের  মাধ্যমে আপনাকে প্রস্তুত হওয়ার সঠিক গাইডলাইন এবং গোপনীয় টিপস গুলো শেয়ার করব।  হয়তো অন্য কোথাও আপনি খুব সহজেই পেয়ে যাবেন না। 

সহজ ভাষায় বলতে হলে এফিলিয়েট মার্কেটিং হল নিজের কোন Website, Facebook Page, Facebook Profile, YouTube Channel ইত্যাদির মাধ্যমে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের অথবা আপনার নিজের পণ্যের প্রচারণা বা promote করা এবং Website এর মাধ্যমে বিক্রিত পণ্যের উপর কমিশন আয় করা।

আপনি যদি  এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তাহলে  আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যতগুলো পণ্য বিক্রি হবে তার একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। অথবা আপনি যদি নিজের পন্য বেশি পরিমান বিক্রি  করতে চান তাহলে আপনি ঠিক জায়গায় চলে এসেছেন। 

যে ৭টি টিপস সাফল্যের চাবিকাঠি

১। কেনো সকালে ঘুম থেকে উঠবেন?

একটি কথা মন দিয়ে উপলব্ধি করুন আজকের বিশ্বে যারা বিশ্ব বিখ্যাত বিজনেসম্যান তাদের জীবন কেমন ছিল ধরুন আপেল,  অ্যামাজন, স্টারবাক, ইয়াহু, ডিজনি, ফেইসবুক, ইউটিউব  তাদের কোম্পানিগুলো আজ কোথায় অবস্থান করছে?  এই কোম্পানিগুলোর CEO রা খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতেন এবং তাদের কাজগুলো করে ফেলতেন কারণ কি জানেন? সারারাত ঘুমানোর পর সকালে মানুষের মস্তিষ্ক থাকে একদম চিন্তামুক্ত ও পরিচ্ছন্ন আর সেই সময়  ক্লান্তিহীন মস্তিষ্ক ও শরীর নিয়ে আপনি যে কাজটি করতে পারবেন সেটি অন্য সময় অনেক চেষ্টা করেও করলেও তা হয়তো অনেক ভুলভ্রান্তি থেকে যেতে পারে একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই সকালে ঘুম থেকে উঠে সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে হবে আর একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার তারা কখনো এই সুযোগটি হাতছাড়া করেন না। আপনি সকালে কাজ শুরু করা মানে হল অন্য অনেকের থেকেই আপনি কাজে একধাপ এগিয়ে গেলেন এবং  সাফল্যের দিক থেকেও অন্য অনেকের থেকেই আপনি এগিয়ে। 

২। দৃঢ় সংকল্প করুন

সংকল্প এমন একটি বিষয় যা আপনাকে কাজে লেগে থাকার অনুপ্রেরণা যোগাবে আপনি কাজটি করবেন কিংবা আপনার দ্বারাই কাজটি হবে এই সংকল্প নিয়ে যদি আপনি কাজে লেগে থাকেন সংকল্প নিয়ে তাহলে আপনাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হবে না একটি সময় এই সংকল্প আপনার কাজগুলো কে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য যোগ্য করে গড়ে তুলবে দৃঢ় সংকল্পআপনাকে রাতারাতি মিলিয়নার  বানাতে পারবে না কিন্তু একদিন ঠিকই আপনাকে মিলিয়নার  বানিয়ে ছাড়বে।  দৃঢ় সংকল্প করুন এবং আপনি যা শিখছেন তা যেন একজন প্রফেশনাল শিক্ষকের কাছে শিখতে পারেন। একজন প্রফেশনাল শিক্ষকই পারে আপনাকে সঠিক ও সত্য পথ দেখাতে।

৩।  সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য তৈরি

সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য তৈরি করুন আপনি কি করতে চান এবং এর শেষ কোথায়
সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে হয় ধাপে ধাপে, একটু একটু করে।

 যদি আপনি একটি কাজ করতে চান তাহলে সে কাজটি সম্পর্কে আপনাকে আগে জানতে হবে তারপর এর লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে যেমন আপনি যদি একজন ব্যবসায়ী হন আর আপনি যদি চান আপনার পণ্যগুলো অনলাইন সেবার মাধ্যমে বিক্রি করতে এবং সেল বাড়াতে তাহলে আপনাকে কি কি করতে হবে।অথবা আপনি যদি একজন ব্যবসায়ীর পার্টনার হিসেবে কাজ করতে চান অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কাজে নিজেকে আত্মনিয়োগ করে তাহলে সর্বপ্রথম আপনাকে ভাবতে হবে আপনি একটি কম্পানির মালিক এবং আপনাকে আপনার কম্পানির পন্য সেল করতে হবে সেক্ষেত্রে 

 আপনার একসাথে  অনেকগুলো আয়ের উৎস তৈরি হয়ে যাবে। এবং তার পণ্যগুলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে সেল করে কমিশন পেতে পারেন এবং অন্য উৎস গুলো আসবে আপনার অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে। অনলাই প্লাটফর্মে  মার্কেটি করতে হল কি কি প্রয়োজন পরের বিষয়গুলোতে বলা হয়েছে। প্রথমত আপনার একটি ওয়েবসাই থাকবে। কেন একটি ওয়েবসাই নিতে হবে সেটি বিস্তারিত বলেছি পরের বিষয়গুলোতে। তারপরের ধরে নেই আপনার একটি পেজ আছে এবং সেখানে অনেক ভিজিটর আছে কিন্তু কোন কারনে যদি ফেসবুক কতৃপক্ষ আপনার পেজটি রিমুভ করে দেয় তাহলে আপনার জমানো সব কাষ্টমার হারিয়ে যাবে আর একটি ওয়েবসাই হলে সেটির কোন চাঞ্জ নেই। 

You can contact us for your domain hosting and web design

৫। কনটেন্ট ও ভিজিটর গাইডলইন

কনটেন্ট কি এই বিষয়টি জানা অত্যান্ত জরুরী। কনটেন্ট হলো সেই সকল বিষয় যা আপনার প্রডাক্টকে উপিস্থাপন করে। ধরুন আপনার একট মোবাইল ফোনের কম্পানি সেক্ষেত্রে আপনার কনটেন্ট হলো মোবাইল বিষয়ক। মোবাইলে একটি ভালো পিকচার দিয়ে তার কি কি কোয়ালিটি রয়েছে সেগুলো বিস্তারিত থাকাই মানে হলো কনটেন্ট এখন এটি হতে পারে লিখিত কিংবা ভিডিও কোন কনটেন্ট। যেখানে আপনার মোবাইল কিংবা অন্য কোন পন্যের বিস্তারিত ভিডিওটিতে থাকবে। আর সেটি মানুষ দেখা মাত্র আপনার মোবাইল কিংবা অন্য কোন প্রডাক্ট ক্রয় করতে আগ্রহী হবে। আপনার কনটেন্ট ভালো হলে ভিজিটর আগ্রহী হবে আপনার ওয়েবসাইট আসতে এবং অন্য বিভিন্ন ধরনের পন্য খুজতে। 

লিখিত ও ভিডিও কনটেন্ট বানাতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণের ক্ষেত্রে এটা সত্যিই খুব গুরুত্বপূর্ণ। কনটেন্ট যদি ভালো না হয় তাহলে কিছুতেই ভিজিটর থাকবে না। বিক্রির প্রথম ও অন্যতম উপাদান হচ্ছে একটা অসাধারণ কনটেন্ট তৈরি করা।

আপনার পেজ, রিভিউ, টিউটোরিয়ালস ইত্যাদিতে টার্গেট ট্রাফিক অ্যাড করুন। আপনার কনটেন্ট এবং অ্যাফলিয়েট লিংক কাজ করছে কি না সেটা জানার জন্য হলেও কিছু ভিজিটর দরকার।

আপনার অফারে টার্গেট ট্রাফিক পাওয়ার টিপস :-

  • আপনার কাস্টমার আছে এমন অন্য কারো ওয়েবসাইটে গেস্ট পোস্ট করুন।
  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনার কনটেন্ট শেয়ার করুন।
  • একটা ফ্রি ডাউনলোড লিংক তৈরি করুন।
  • নতুন কনটেন্টের বিষয়ে জানিয়ে আপনার সাবসক্রইবারদের মেইল করুন।

Need traffic on your website? Contact us.

৬। নির্দিষ্ট কাষ্টমারের জন্য অনুসন্ধান করুন

Affiliate marketing কাষ্টমার অনুসন্ধান করতে অবশ্চই আপনাকে নির্দিষ্ট পন্যের জন্য নির্দিষ্ট কাষ্টমার চাই। তাই যখন আপনি মোবাইল ফোন কম্পানির কাষ্টমার চাইছেন কিন্তু কনটেন্ট যদি হয় রেসিপি টাইপ তাহলে আপনার কাষ্টমার হারাবে এবং উদ্দেশ্য সফল হবে না। 

একটি অর্থপূর্ণ সামগ্রী একটি ওয়েবসাইট দর্শকদের বা দর্শকদের জন্য একটি মহান আকর্ষণীয় উপাদান।

শুধুমাত্র ভালো মানের সামগ্রী মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারে এবং অবশ্যই, ক্লিকগুলি মানুষের কাছ থেকে আসে।

এই বছর, affiliate marketers তাদের সাইটে ট্র্যাফিক জেনারেট করার জন্য Google এর আপডেট হওয়া অ্যালগরিদম দিয়ে গতি বজায় রাখতে হবে।

যদিও গুগলের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে কখনও পরিবর্তনশীল অ্যালগরিদমের সাথে থাকা সত্যিই কঠিন, তবে কীওয়ার্ড নির্বাচনে কিছু পরিবর্তন করা দরকার।

long tail keywords থাকা উচিত যা সর্বোত্তম products or services সংজ্ঞায়িত করে এবং অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলিও উপস্থাপন করে।

কী ওয়ার্ড নির্বাচন কি জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আজকাল, সামগ্রীগুলিতে অডিও এবং ভিডিও উপাদান ব্যবহার করে স্মার্ট উপস্থাপনা হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

এটি দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করার এবং তাদের কাছ থেকে তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পেতে সত্যিই কার্যকর উপায়।

আপডেট থাকুন:

একটি সফল affiliate website এমন একটি যা ট্র্যাফিক আকর্ষণ করতে পারে এবং লক্ষ্যবস্তু বার্তাগুলি তাদের কাছে পৌঁছাতে তাদের কাছ থেকে দর্শকদের খুঁজে পেতে পারে।

রিয়েল-টাইম নিউজ এবং ওয়েবসাইটের স্পেস সম্পর্কিত ইভেন্টগুলিতে আপডেট থাকা সাইটটিতে বিশেষভাবে সম্পর্কিত ট্র্যাফিক বাড়ানোর জন্য সহায়ক।

ইমেল মার্কেটিং:

লক্ষ্য শ্রোতাদের চিহ্নিত করা এবং ইমেলের মাধ্যমে কার্যকর যোগাযোগ গড়ে তোলা এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য আরও ট্র্যাফিক পেতে একটি ভাল উপায়।

ইমেল এমনভাবে লেখা উচিত যে এটি ব্যবহারকারীকে সামগ্রীটি পড়তে বাধ্য করে এবং ব্যবসায়ীর ওয়েবসাইট পরিদর্শন করে।

একটি ফলপ্রসূ অধিভুক্ত বিপণন ইমেল প্রচারাভিযান একটি ল্যান্ডিং পৃষ্ঠা ব্যবহার করে গ্রাহক তালিকা তৈরি করে শুরু করা যেতে পারে।

অফার বোনাস:

ক্রেতাদের জন্য অতিরিক্ত কিছু অফার করা সবসময় ভাল। এটি একটি বিনামূল্যে সাবস্ক্রিপশন বা গ্রাহকদের জন্য বা একটি বোনাস হতে পারে।

কিন্তু এটি মনে রাখা উচিত যে ফ্রি শুধুমাত্র তখনই কাজ করে যখন এটি সত্যিই ক্রেতাদের পক্ষে কার্যকর হয়। বোনাস প্রস্তাবটি নির্বাচন করার সময়, গ্রাহকের প্রত্যাশাগুলি পূরণ করা এবং

বিক্রি হওয়া products or services সাথে মেলে এমন অ্যাকাউন্টটি বিবেচনা করুন।

৭। ভিজিটরের জন্য পে করে থাকে যে কম্পানিগুলো 

Best-paid traffic sources-

সার্চ বেসঃ

সোশাল নেটওয়ার্ক বেসঃ

  • Facebook PPC Ads
  • Twitter
  • Reddit
  • StumbleUpon
  • Instagram
  • Pinterest
  • Google plus
  • LinkedIn Ads
  • YouTube
  • Slideshare
  • Hubspot
  • Quora
  • About.com
  • Netlog

Contextual based;

  • MediaTraffic
  • TrafficVance
  • LeadImpact
  • Clicksor

কেন প্রোগ্রামিং কে ক্যারিয়ার হিসেবে নিবেন??

যেকোন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ভালভাবে শিখতে বেগ পেতে হবে ঠিকই তবে এর পরিনতি সুস্বাদু। প্রোগ্রামার এর চাহিদা পৃথিবীতে কখনই কমবেনা বরং দিনদিন সব কিছুই অটোমেটেড তথা মেশিন ভিত্তিক হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। প্রত্যেকটি ডিডিজটাল সিস্টেমে সফটওয়্যার বাধ্যতামূলক আর তাই প্রোগ্রামারও আবশ্যক। প্রোগ্রামিং “ক্যারিয়ার” হিসেবে কেন রোমাঞ্চকর তার ১০০ টারও বেশি কারন দেখাতে পারি। নিচে কয়েকটি আলোচনা করা

 

কারন ১ : প্রোগ্রামিং এমন একটা জিনিস, ভালভাবে শিখলে হিরো। এটা কোন খেলা নয় যে আজকে ভাল খেললেন তো হিরো, কাল ফর্ম নেই তো জিরো। কোডিং শেখাটা সময়সাপেক্ষ এবং অনেক ধৈর্য্যের ব্যাপার। মনে হতে পারে এতদিন ধরে শিখছি কিন্তু আউটপুট তো জিরো। এই ZERO টেম্পরারি বাট শিখে গেলে HERO পার্মানেন্ট।

 

কারন ২ : যেকোন একটা ল্যাংগুয়েজ ভালভাবে শিখলেই হবে, তবে ল্যাংগুয়েজটি মেইনস্ট্রিম ল্যাংগুয়েজ হতে হবে যেমন জাভা, সি, পিএইচপি, পাইথন কিংবা এরুপ কোন ল্যাংগুয়েজ। ১টা ভালভাবে শেখার কথা এজন্য বললাম কারন পৃথিবীর সব মেইনস্ট্রিম ল্যাংগুয়েজ একই শুধু সিনট্যাক্স এবং টুকিটাকি এটা সেটা পার্থক্য। তাই যেকোন সময় ল্যাংগুয়েজ switch করা মাত্র ১ সপ্তাহের ব্যাপার। আপনি যদি একটা ল্যাংগুয়েজ এ এক্সপার্ট হন তাহলে এরপর যেকোন ল্যাংগুয়েজ শিখতে ১ সপ্তাহের বেশি লাগবেনা। তবে হ্যা নতুন যে ল্যাংগুয়েজ শিখলেন সেই ল্যাংগুয়েজের কোন এক্সপার্টের সাথে আপনার শুধু কিছু অভিজ্ঞতার পার্থক্য থাকবে সেটাও দ্রুত রিকভার করা যায়।

 

কারন ৩ : সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হচ্ছে এই সেক্টরে সার্টিফিকেটের তুলনায় ট্যালেন্ট এবং যোগ্যতার মুল্য বেশি। কাজ জানেন তো ডিগ্রী ছাড়াই হিরো যেমন জুকারবার্গ কিংবা বিল গেটসের কথা ভেবে দেখুন। আর কাজ না জানলে ডিগ্রী থাকলেও হয়রানি।

 

কারন ৪ : চাকরি যদি নাও করেন তবুও নিজেই একটা ইকমার্স প্রজেক্ট বাজারে ছেড়ে দিলেই তো এরপর শুধু মার্কেটিং এর কাজ, তারপর বসে বসে খাও।

কাজেই প্রোগ্রামিং কে ক্যারিয়ার বানান, ২/২.৫ বছর চ্যালেন্জ face করুন এরপর পাবলিকের টাকা আপনার পকেটে ঢুকান।

আউটসোর্সিং শিখতে চাইলে প্রথমেই যা জানা প্রয়োজন

. থিংক ট্যাংক হতে হবেপ্রফেশনাল জীবনে প্রতিদিন আপনাকে নতুন নতুন প্রবলেম সলভ করতে হবে। কাজেই পরনির্ভরশীলতা শূন্যতে আনতে হবে, মস্তিস্কের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। novice টাইপের প্রশ্ন করা যাবেনা যেমন “wrox পাবলিকেশনের অমুক বইটা নীলক্ষেতে কোথায় পাওয়া যাবে?” নীলক্ষেত ধানক্ষেতে কি? কোডক্ষেতে পড়ে থাকতে হবে। তাহলেই কাজ শিখবেন। চিন্তা করুন এই গুগল এবং stackoverflow থেকে সার্চ করে মানুষ কোটি কোটি ডলারের প্রজেক্ট করতেছে আর আমি কেন সার্চ দিয়ে একটা সামান্য বই বের করতে পারতেছিনা। হালুয়া খেতেই যদি দাত ভাঙ্গে, রুটি খাবেন কিভাবে??

 

. প্রজেক্ট করে করে শিখতে হয় টিউটোরিয়াল কিংবা বই পড়ে নয়যেকোন একটা প্রজেক্ট শুরু করুন এরপর সেটা করতে গিয়ে যেসব সমস্যায় পড়বেন সেটা সার্চ দিয়ে বের করতে হবে, এখন সমস্যাটির জন্য বই দেখতে পারেন । নতুন শিখতে গিয়ে এমন কোন সমস্যায় পড়বেন না যেটা পৃথিবীতে এখনও কেউ পড়েনি। কাজেই সার্চ করে সেটা বের করতে হবে। সার্চ করে সমস্যা সমাধান করা এতটুকু যোগ্যতা যতক্ষন না আসবে ততক্ষন প্রোগ্রামিং শেখার মহাসড়কেই উঠতে পারবেন না।

 

. কিভাবে ফোরামে প্রশ্ন করবেননিয়ম হচ্ছে যেকোন সমস্যায় পড়লে সেটা সলভ করার জন্য সম্ভ্যাব্য সকল চেষ্টা করতে হবে। কয়েক ঘন্টা সার্চ করলে, R & D করলে অবশ্যই সমাধান হবে। এরপরেও যদি না হয় তখন গিয়ে ফোরাম, stackoverflow ইত্যাদিতে গিয়ে প্রশ্ন করতে হয়। আমাদের সমস্যা হল কোন R & D না করে সরাসরি গিয়ে stackoverflow তে প্রশ্ন করি এবং এক্সপার্টরা দেখেই বোঝে সে কোন চেষ্টাই করেনি। ব্যাস তখনি মাইনাস দিয়ে দেয় ফলে হতাশ হয়ে আর প্রশ্ন করেনা। R & D করে এরপর সমাধান না হলে stackoverflow তে গিয়ে প্রশ্ন করে দেখুন, আপনার প্রশ্নে এক্সপার্টরাই আপভোটের হিরিক লাগাবে।

 

. প্রজেক্ট আইডিয়া: ইউজার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম করতে পারেন। ইউজার লগিন রেজিস্ট্রেশন করবে। নিজের ছবি আপলোড করবে। ব্যাকইন্ডে সব ইউজার এডমিন ম্যানেজ করতে পারবে। একজন ইউজার আরেকজনকে ফ্রেন্ড হিসেবে add করতে পারবে ইত্যাদি ফাংশনালিটি সহ একটা প্রজেক্ট করতে পারেন।