ফ্রিলান্সিং বা আউটসোর্সিং গুজব | The myth about freelancing and outsourcing

আমাদের দেশে বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ আছে – “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও নাহ”।

আশাকরি আপনারা সব্বাই ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। আপনারা নিশ্চয়ই “মাল্টি টাস্কিং” শব্দটা শুনেছেন। আমি যদি একটা মোটরসাইকেলে বসে যেতে যেতে আপনাদের সাথে কথা বলি তাহলে সেটা ঠিক মাল্টি টাস্কিং না। কিন্তু আমি যদি ঐ বাইকটা চালাতে চালাতে আপনাদের সাথে কথা বলি তাহলে সেইটা হবে একটা পিউর মাল্টি টাস্কিং। এখন অনেকেই হয়তো দ্বিমত করবেন যে একটা ভালো যোগ্যতা মাল্টি টাস্কিং, সেটাকে আমি সম্ভাব্য ভয়ঙ্কর একটা দুর্ঘটনার সাথে তুলনা করছি। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই অনুমান করেছেন। ফ্রীলান্সিং এ মাল্টি টাস্কিং একটা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তাদের জন্য যারা কেবল মাত্র শুরু করেছেন বা করতে যাচ্ছেন। কেন! তা একটু পরেই বলছি।

আই. টি সেক্টরে বাজ ওয়ার্ড হলো ফ্রীল্যানসিং এবং আউটসোর্সিং। কোন একটা বিষয়ে নিজেকে যোগ্য করে তোলার আগেই আমরা ভাবি “কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?”, “কোন লাইনে টাকা বেশি”, “এমন একটা ঢিল মারবো যে টাকা গ্যারগ্যার করে আসতে থাকবে।” এইরকম হাজারটা অবান্তর চিন্তা। আর এই চিন্তা আসবেই বা না কেন যেখানে কিছু সো কল্ড আই.টি ট্রেইনিং দেয়া কোম্পানিগুলো চটকদার বিজ্ঞাপনে নানান আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে – যে যেদিকে – যেভাবে পারছে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। একটা ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আর্টিকেল থেকে উদ্ধৃতি দিচ্ছি, নাম বলবো নাহ। সেখানে রাইটার লিখেছেনঃ
“রাতারাতি বড়লোক হবার বাহারি ও রকমারি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে আকৃষ্ট করার পায়তারায় মত্ত আছে একটি শ্রেনী।
সি পি এ মার্কেটিং এর নামে ডেটিং আর বেটিং অফার নিয়ে কাজ করে, ১০০% চিটার এরা, মানুষ কে হারাম কাজ শিখায়, অনেক টাকা ইনকাম হবে এমন লোভ দেখিয়ে ভর্তি করায়, বলে ২-৩ টা ক্লাস করলে ইনকাম এর ছড়াছড়ি, মানুষ আর নিজেকে ধরে রাখতে পারে না, তখন ভর্তি হয়, ধরা খেয়ে ফিরে আসে। এদের ক্লাসে ফেসবুক, টুইটারের ৪/৫ টা বেসিক ক্লাস ছাড়া কিছুই নাই।
অনলাইন আরো কিছু অ্যাড দেখবেন ১০০, ৫০০ বা ৫০ জনকে কাজ দিবো, টীম হয়ে কাজ করতে চান? এই আরেক বড় বাটপার, তাদের এতো দরদ কেন, তার কারণ আপনি তাদের আন্ডারে কাজ করবেন ওরা লাভবান হবে, অথবা তাদের রেফারেলে কাজ করবেন ওরা কমিশন পাবে। আবার অনেকে কোর্স করতে গিয়ে ধরা খায় , আবার ভিডিও দিবে বলে টাকা নিয়ে ব্লক মারে আরো কত কি !!!
আমার কথা হল, এত সহজে যদি অনলাইনে কাড়ি কাড়ি ডলার/টাকা কামানো যেত তাহলে পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ স্রেফ টাকা উপার্যনের জন্য দিন রাত খাটা খাটুনি বন্ধ করে একখানা কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন নিয়ে যার যার ঘরে বসে যেত, আর ডলার আয় করত। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা একটু ভিন্ন।”

তো এই ছিলো সেই ভদ্রলোকের বিরক্তির চরম মাত্রার একটি লেখার অংশ বিশেষ।
তবে আমি দেখেছি কেউ কেউ আবার হাস্যকর স্টুডেন্টদের ইনকামের প্রুফ – ছবি সহ, ডলার ট্রান্সাকশনের ছবির তকমা লাগাচ্ছে। আরে ভাই এইসব কিছু তো পাবলিক ইনফর্মেশন। যেগুলো আপনিও যে কারো প্রোফাইলে গেলে তাঁর পোর্টফলিওতে দেখতে পাবেন। আর ডলার ট্রান্সাকশন! ইহা সত্যি সত্যিই এডিট করা যায়।

আমার এক বন্ধুকে কেমন আছিস জিজ্ঞেস করলেই বলতো “The rolling stone gathers no moss.”, ওর ভাষায় এর বাংলা মানে হলো “গড় গড়াইন্না পাথরে কখনও সেঁওলা জমে না”। আপনাকে ঠিক তেমন হতে হবে। কোথাও থেমে গেলে হবেনা। চলতেই হবে শুধু চলতেই হবে সফলতা না আসা পর্যন্ত। তারপর একদিন হয়তো ঠিকই অবসর যাপনই আপনার কাছে আর ভালো লাগবে না।

এবার আসি কাজের কথায়। একজন ফ্রীল্যান্সার হিসেবে আপনি Graphic Design শিখতে পারেন, Web Design, Web Development, Mobile apps, SEO, Affiliate Marketing ও শিখতে পারেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো কোনটা দিয়ে শুরু করবেন?

আমার পরামর্শ হলো আপনি যদি একজন চারুকলা আর্টিস্ট হয়ে থাকেন তবে গ্রাফিক ডিজাইন দিয়ে শুরু করুন; অন্যথায় আপনি দক্ষ সব আর্টিস্টদের মাঝে অসহায় বোধ করবেন। Web design না শিখেই Web development, Mobile Apps শেখা যায় তবে হাইস্কুলটা না হয় পাশ করেই এডভান্স লেভেলে যান। SEO এবং Affiliate Marketing নিয়ে সবচেয়ে বেশি কথা হয়, অথচ এই সেক্টরে যারা সফল তারা বলছে যে কাজ শিখে সফলতা আসতে ৬মাস থেকে ১ বছর বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। আর আপনি চাইছেন কাল থেকেই ইনকাম শুরু। তাহলে ওয়েব ডিজাইনই আপনার একমাত্র ভরসা। আর এটা সর্বজন স্বীকৃত যে Web design আপনার অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জনের রাস্তাটা অনেক সহজ করে দিবে।

তবে মনে রাখবেন এই বিষয়গুলো একজন ফ্রিল্যান্সারকে অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবেঃ

  • সিদ্ধান্তহীনতা
  • পর্যাপ্ত দক্ষতার অভাব
  • পোস্ট সেলকে গুরুত্ব না দেওয়া
  • হাল ছেড়ে দেয়া
  • অলসতা
  • কম টাকায় কোথায় ফ্রিল্যান্সিং শিখায় এই চিন্তা বাদ দেয়া।

আরে ভাই শুরুতেই মাসে বিশ পঞ্চাশ হাজার টাকার স্বপ্ন দেখছেন সেখানে কাজ শিখতে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ খরচ করবেন না?
তা না হলে ভালো শিখবেন কিভাবে? প্রতারিত হবেন আবার ফিরে আসবেন, আবার অন্য কোথাও প্রতারিত হবেন কারণ আপনার লোভ বেশি, আপনি রাতারাতি বড়লোক হতে চান। আর হ্যাঁ শুরুতে বলেছিলাম “মাল্টি টাস্কিং” ভালোনা। ঠিক তাই। একসাথে সবকিছু শিখে ফেলতে চাইবেন কেন? যেকোনো একটা আগে ভালভাবে শিখুন। ইনকাম করা শুরু করুন তারপর না হয় অন্যগুলো নিয়ে ভাববেন।

যাইহোক এরকম আরও মোটিভেশনাল প্যাঁচাল ছাড়াও কোর্সে কি কি বিষয়বস্তু আছে সেগুলো দেখে আসুন। বর্তমানে শুধুমাত্র Udemy তে কোর্সটি পাওয়া যাচ্ছে। এই লিঙ্কে যেয়ে অন্তত দেখে আসুন কি কি আছে এই Complete Web Design in Bangla – from Zero 2 Hero কোর্সে।

পরিশেষে আবারও বলছি “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও নাহ”।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এ সাফল্যের ৭ টি টিপসঃ পর্ব – ১

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি ?

শুরুতেই আমাদের জেনে নেয়া প্রয়োজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ যারা না জেনে বুঝেই কিছু ভিডিও কিংবা আর্টিকেল পড়েই কাজে নেমে পড়েছেন তাদের এই সেক্টরে হতাশ হওয়ার সম্ভাবনা টা অনেক বেশি তাই আপনাকে তৈরি হতে হবে একজন সফল এবং   কর্মঠ অ্যাফিলিয়েট ব্যক্তি হিসেবে অনলাইনে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের বিপুল চাহিদা রয়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে, অনলাইনে উপার্জনের জন্য অনেক উপায় রয়েছে। এই মধ্যে, এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো অন্যতম ।

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে অনলাইনে অর্থ উপার্জন করা প্রতিযোগিতামূলক, তবে যদি সঠিক পদ্ধতি এবং কৌশলগুলি প্রয়োগ করা হয় তবে এটি অনলাইনে প্রচুর অর্থ উপার্জন করার একটি লাভজনক উপায়। 

কিভাবে আপনি একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে পারেন সেই সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত খুঁটিনাটি আলোচনা করবো তার মূল কারণ হলো, আপনি একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার কিংবা অ্যাফিলিয়েট ব্যক্তিত্ব হলে আমাদের দেশ অন্যান্য ব্যক্তিদের আয়ের উৎস করে দিতে পারবেন।মূল কথা হলো আপনি নিজেকে একজন উদ্যোক্তা হিসেবে প্রকাশ করতে পারবেন। আর আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রত্যেকটি মানুষকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করা। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং মূলত একটি পেশা যেখানে আপনি আপনার দক্ষতা এবং পরিশ্রমের বিনিময়ে অর্জন করতে পারেন একটি সাফল্যময় ক্যারিয়ার। কিভাবে আপনি একজন সফলকাম অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে পারেন সেটি  আমরা পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি আর্টিকেলের  মাধ্যমে আপনাকে প্রস্তুত হওয়ার সঠিক গাইডলাইন এবং গোপনীয় টিপস গুলো শেয়ার করব।  হয়তো অন্য কোথাও আপনি খুব সহজেই পেয়ে যাবেন না। 

সহজ ভাষায় বলতে হলে এফিলিয়েট মার্কেটিং হল নিজের কোন Website, Facebook Page, Facebook Profile, YouTube Channel ইত্যাদির মাধ্যমে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের অথবা আপনার নিজের পণ্যের প্রচারণা বা promote করা এবং Website এর মাধ্যমে বিক্রিত পণ্যের উপর কমিশন আয় করা।

আপনি যদি  এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তাহলে  আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যতগুলো পণ্য বিক্রি হবে তার একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। অথবা আপনি যদি নিজের পন্য বেশি পরিমান বিক্রি  করতে চান তাহলে আপনি ঠিক জায়গায় চলে এসেছেন। 

যে ৭টি টিপস সাফল্যের চাবিকাঠি

১। কেনো সকালে ঘুম থেকে উঠবেন?

একটি কথা মন দিয়ে উপলব্ধি করুন আজকের বিশ্বে যারা বিশ্ব বিখ্যাত বিজনেসম্যান তাদের জীবন কেমন ছিল ধরুন আপেল,  অ্যামাজন, স্টারবাক, ইয়াহু, ডিজনি, ফেইসবুক, ইউটিউব  তাদের কোম্পানিগুলো আজ কোথায় অবস্থান করছে?  এই কোম্পানিগুলোর CEO রা খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতেন এবং তাদের কাজগুলো করে ফেলতেন কারণ কি জানেন? সারারাত ঘুমানোর পর সকালে মানুষের মস্তিষ্ক থাকে একদম চিন্তামুক্ত ও পরিচ্ছন্ন আর সেই সময়  ক্লান্তিহীন মস্তিষ্ক ও শরীর নিয়ে আপনি যে কাজটি করতে পারবেন সেটি অন্য সময় অনেক চেষ্টা করেও করলেও তা হয়তো অনেক ভুলভ্রান্তি থেকে যেতে পারে একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই সকালে ঘুম থেকে উঠে সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে হবে আর একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার তারা কখনো এই সুযোগটি হাতছাড়া করেন না। আপনি সকালে কাজ শুরু করা মানে হল অন্য অনেকের থেকেই আপনি কাজে একধাপ এগিয়ে গেলেন এবং  সাফল্যের দিক থেকেও অন্য অনেকের থেকেই আপনি এগিয়ে। 

২। দৃঢ় সংকল্প করুন

সংকল্প এমন একটি বিষয় যা আপনাকে কাজে লেগে থাকার অনুপ্রেরণা যোগাবে আপনি কাজটি করবেন কিংবা আপনার দ্বারাই কাজটি হবে এই সংকল্প নিয়ে যদি আপনি কাজে লেগে থাকেন সংকল্প নিয়ে তাহলে আপনাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হবে না একটি সময় এই সংকল্প আপনার কাজগুলো কে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য যোগ্য করে গড়ে তুলবে দৃঢ় সংকল্পআপনাকে রাতারাতি মিলিয়নার  বানাতে পারবে না কিন্তু একদিন ঠিকই আপনাকে মিলিয়নার  বানিয়ে ছাড়বে।  দৃঢ় সংকল্প করুন এবং আপনি যা শিখছেন তা যেন একজন প্রফেশনাল শিক্ষকের কাছে শিখতে পারেন। একজন প্রফেশনাল শিক্ষকই পারে আপনাকে সঠিক ও সত্য পথ দেখাতে।

৩।  সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য তৈরি

সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য তৈরি করুন আপনি কি করতে চান এবং এর শেষ কোথায়
সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে হয় ধাপে ধাপে, একটু একটু করে।

 যদি আপনি একটি কাজ করতে চান তাহলে সে কাজটি সম্পর্কে আপনাকে আগে জানতে হবে তারপর এর লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে যেমন আপনি যদি একজন ব্যবসায়ী হন আর আপনি যদি চান আপনার পণ্যগুলো অনলাইন সেবার মাধ্যমে বিক্রি করতে এবং সেল বাড়াতে তাহলে আপনাকে কি কি করতে হবে।অথবা আপনি যদি একজন ব্যবসায়ীর পার্টনার হিসেবে কাজ করতে চান অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কাজে নিজেকে আত্মনিয়োগ করে তাহলে সর্বপ্রথম আপনাকে ভাবতে হবে আপনি একটি কম্পানির মালিক এবং আপনাকে আপনার কম্পানির পন্য সেল করতে হবে সেক্ষেত্রে 

 আপনার একসাথে  অনেকগুলো আয়ের উৎস তৈরি হয়ে যাবে। এবং তার পণ্যগুলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে সেল করে কমিশন পেতে পারেন এবং অন্য উৎস গুলো আসবে আপনার অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে। অনলাই প্লাটফর্মে  মার্কেটি করতে হল কি কি প্রয়োজন পরের বিষয়গুলোতে বলা হয়েছে। প্রথমত আপনার একটি ওয়েবসাই থাকবে। কেন একটি ওয়েবসাই নিতে হবে সেটি বিস্তারিত বলেছি পরের বিষয়গুলোতে। তারপরের ধরে নেই আপনার একটি পেজ আছে এবং সেখানে অনেক ভিজিটর আছে কিন্তু কোন কারনে যদি ফেসবুক কতৃপক্ষ আপনার পেজটি রিমুভ করে দেয় তাহলে আপনার জমানো সব কাষ্টমার হারিয়ে যাবে আর একটি ওয়েবসাই হলে সেটির কোন চাঞ্জ নেই। 

You can contact us for your domain hosting and web design

৫। কনটেন্ট ও ভিজিটর গাইডলইন

কনটেন্ট কি এই বিষয়টি জানা অত্যান্ত জরুরী। কনটেন্ট হলো সেই সকল বিষয় যা আপনার প্রডাক্টকে উপিস্থাপন করে। ধরুন আপনার একট মোবাইল ফোনের কম্পানি সেক্ষেত্রে আপনার কনটেন্ট হলো মোবাইল বিষয়ক। মোবাইলে একটি ভালো পিকচার দিয়ে তার কি কি কোয়ালিটি রয়েছে সেগুলো বিস্তারিত থাকাই মানে হলো কনটেন্ট এখন এটি হতে পারে লিখিত কিংবা ভিডিও কোন কনটেন্ট। যেখানে আপনার মোবাইল কিংবা অন্য কোন পন্যের বিস্তারিত ভিডিওটিতে থাকবে। আর সেটি মানুষ দেখা মাত্র আপনার মোবাইল কিংবা অন্য কোন প্রডাক্ট ক্রয় করতে আগ্রহী হবে। আপনার কনটেন্ট ভালো হলে ভিজিটর আগ্রহী হবে আপনার ওয়েবসাইট আসতে এবং অন্য বিভিন্ন ধরনের পন্য খুজতে। 

লিখিত ও ভিডিও কনটেন্ট বানাতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণের ক্ষেত্রে এটা সত্যিই খুব গুরুত্বপূর্ণ। কনটেন্ট যদি ভালো না হয় তাহলে কিছুতেই ভিজিটর থাকবে না। বিক্রির প্রথম ও অন্যতম উপাদান হচ্ছে একটা অসাধারণ কনটেন্ট তৈরি করা।

আপনার পেজ, রিভিউ, টিউটোরিয়ালস ইত্যাদিতে টার্গেট ট্রাফিক অ্যাড করুন। আপনার কনটেন্ট এবং অ্যাফলিয়েট লিংক কাজ করছে কি না সেটা জানার জন্য হলেও কিছু ভিজিটর দরকার।

আপনার অফারে টার্গেট ট্রাফিক পাওয়ার টিপস :-

  • আপনার কাস্টমার আছে এমন অন্য কারো ওয়েবসাইটে গেস্ট পোস্ট করুন।
  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনার কনটেন্ট শেয়ার করুন।
  • একটা ফ্রি ডাউনলোড লিংক তৈরি করুন।
  • নতুন কনটেন্টের বিষয়ে জানিয়ে আপনার সাবসক্রইবারদের মেইল করুন।

Need traffic on your website? Contact us.

৬। নির্দিষ্ট কাষ্টমারের জন্য অনুসন্ধান করুন

Affiliate marketing কাষ্টমার অনুসন্ধান করতে অবশ্চই আপনাকে নির্দিষ্ট পন্যের জন্য নির্দিষ্ট কাষ্টমার চাই। তাই যখন আপনি মোবাইল ফোন কম্পানির কাষ্টমার চাইছেন কিন্তু কনটেন্ট যদি হয় রেসিপি টাইপ তাহলে আপনার কাষ্টমার হারাবে এবং উদ্দেশ্য সফল হবে না। 

একটি অর্থপূর্ণ সামগ্রী একটি ওয়েবসাইট দর্শকদের বা দর্শকদের জন্য একটি মহান আকর্ষণীয় উপাদান।

শুধুমাত্র ভালো মানের সামগ্রী মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারে এবং অবশ্যই, ক্লিকগুলি মানুষের কাছ থেকে আসে।

এই বছর, affiliate marketers তাদের সাইটে ট্র্যাফিক জেনারেট করার জন্য Google এর আপডেট হওয়া অ্যালগরিদম দিয়ে গতি বজায় রাখতে হবে।

যদিও গুগলের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে কখনও পরিবর্তনশীল অ্যালগরিদমের সাথে থাকা সত্যিই কঠিন, তবে কীওয়ার্ড নির্বাচনে কিছু পরিবর্তন করা দরকার।

long tail keywords থাকা উচিত যা সর্বোত্তম products or services সংজ্ঞায়িত করে এবং অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলিও উপস্থাপন করে।

কী ওয়ার্ড নির্বাচন কি জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আজকাল, সামগ্রীগুলিতে অডিও এবং ভিডিও উপাদান ব্যবহার করে স্মার্ট উপস্থাপনা হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

এটি দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করার এবং তাদের কাছ থেকে তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পেতে সত্যিই কার্যকর উপায়।

আপডেট থাকুন:

একটি সফল affiliate website এমন একটি যা ট্র্যাফিক আকর্ষণ করতে পারে এবং লক্ষ্যবস্তু বার্তাগুলি তাদের কাছে পৌঁছাতে তাদের কাছ থেকে দর্শকদের খুঁজে পেতে পারে।

রিয়েল-টাইম নিউজ এবং ওয়েবসাইটের স্পেস সম্পর্কিত ইভেন্টগুলিতে আপডেট থাকা সাইটটিতে বিশেষভাবে সম্পর্কিত ট্র্যাফিক বাড়ানোর জন্য সহায়ক।

ইমেল মার্কেটিং:

লক্ষ্য শ্রোতাদের চিহ্নিত করা এবং ইমেলের মাধ্যমে কার্যকর যোগাযোগ গড়ে তোলা এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য আরও ট্র্যাফিক পেতে একটি ভাল উপায়।

ইমেল এমনভাবে লেখা উচিত যে এটি ব্যবহারকারীকে সামগ্রীটি পড়তে বাধ্য করে এবং ব্যবসায়ীর ওয়েবসাইট পরিদর্শন করে।

একটি ফলপ্রসূ অধিভুক্ত বিপণন ইমেল প্রচারাভিযান একটি ল্যান্ডিং পৃষ্ঠা ব্যবহার করে গ্রাহক তালিকা তৈরি করে শুরু করা যেতে পারে।

অফার বোনাস:

ক্রেতাদের জন্য অতিরিক্ত কিছু অফার করা সবসময় ভাল। এটি একটি বিনামূল্যে সাবস্ক্রিপশন বা গ্রাহকদের জন্য বা একটি বোনাস হতে পারে।

কিন্তু এটি মনে রাখা উচিত যে ফ্রি শুধুমাত্র তখনই কাজ করে যখন এটি সত্যিই ক্রেতাদের পক্ষে কার্যকর হয়। বোনাস প্রস্তাবটি নির্বাচন করার সময়, গ্রাহকের প্রত্যাশাগুলি পূরণ করা এবং

বিক্রি হওয়া products or services সাথে মেলে এমন অ্যাকাউন্টটি বিবেচনা করুন।

৭। ভিজিটরের জন্য পে করে থাকে যে কম্পানিগুলো 

Best-paid traffic sources-

সার্চ বেসঃ

সোশাল নেটওয়ার্ক বেসঃ

  • Facebook PPC Ads
  • Twitter
  • Reddit
  • StumbleUpon
  • Instagram
  • Pinterest
  • Google plus
  • LinkedIn Ads
  • YouTube
  • Slideshare
  • Hubspot
  • Quora
  • About.com
  • Netlog

Contextual based;

  • MediaTraffic
  • TrafficVance
  • LeadImpact
  • Clicksor

যেভাবে অ্যাপল পুস নোটিফিকেশান ডেভেলপ করবেন

প্রথমেই অ্যাপল ডেভেলপার অ্যাকাউন্ট এ লগইন করবো। এর জন্য http://developer.apple.com ভিসিট করি। Account মেনুতে ক্লিক করি। User ID এবং password দিয়ে লগইন করি। যে Overview পেজটি প্রদর্শিত হোল তার মাঝে যে অংশে “Certificates, Identifiers & Profiles” লেখা আছে সেখানে ক্লিক করি। আমরা এখন একটা ডেভেলপার একাউন্ট করবো Push Notification এর জন্য। কারণ আমরা ধরে নিচ্ছি যে, আমাদের iPhone ডিভাইসটি USB দিয়ে Xcode এ connected এবং আমরা পুস নোটিফিকেশান টেস্ট করার জন্য একটি সার্টিফিকেট তৈরী করবো। তবে যদি Test Flight বা Beta Tester হই অথবা add hoc এর মাধ্যমে অ্যাপ distribute করেতে চাই তাহলে Production Certificate ব্যবহার করতে হবে।

আমরা এখন Developer সার্টিফিকেট তৈরী করবো কেননা Xcode এ আমাদের iPhone connected এবং আমরা এর মাধ্যমেই Apple Push Notification (APN) টেস্ট করবো।

প্রথমেই আমাদের একটি App Identifier তৈরী করতে হবে। যার মাধ্যমে APN আমাদের অ্যাপ চিনতে পারবে। তো বামদিকের সেকশান থেকে Identifiers এর নিচে App IDs ক্লিক করি। ডান দিকে প্লাস (+) আইকন এ ক্লিক করি। App ID Description এ পছন্দ মতো তবে অর্থবহ একটা নাম দিই। তারপর bundle ID. এই bundle identifier টি আসলে সেটাই যা আমরা Xcode এর প্রোজেক্ট প্রোপার্টিজে সেট করেছি। Xcode থেকে bundle identifier টি copy করে এখানে paste করি। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নিচের App Service সেকশানে অবশ্যই আমাদের Push Notifications সিলেক্ট করতে হবে। তারপর Continue বাটন এ ক্লিক করি। তারপর Register এ ক্লিক করি। সবশেষে Done ।

চলুন এবার Developer সার্টিফিকেট তৈরী করা যাক।
বা দিকের Certificate সেকশানের নিচে Development এ ক্লিক করি। এখন ডান দিকে প্লাস (+) আইকনে ক্লিক করি। এখানে আমরা এখন Apple Push Notification service SSL (Sandbox) সিলেক্ট করবো। এখানে নোটিস টি খেয়াল করলে দেখা যাবে স্পষ্ট লেখা আছে যে এটা নোটিফিকেশান সার্ভার এর সাথে Apple Push Notification এর সংযোগ করবে। এখানে নোটিফিকেশান সার্ভার মানে আমরা গুগল এর Firebase Cloud Messaging (FCM) ধরে নিচ্ছি। এছাড়াও প্রত্যেক APN রিলেটেড অ্যাপ এর জন্য আলাদা Certificate তৈরী করেতে হবে। OK এখন নিচে Continue বাটন এ ক্লিক করবো। এরপর আমাদের App ID সিলেক্ট করবো যেটা এইমাত্র আগের স্টেপগুলোতে করলাম। আবার Continue বাটন এ ক্লিক করি। এখন এই স্টেপটির জন্য প্রথমেই আমাদের Mac থেকে CSR ফাইল তৈরী করে নিতে হবে। প্রসেস এখানে লেখাই আছে। আমরা exactly সেটাই করবো।

এর জন্য প্রথমেই Keychain Access যাই। এরপর বামে Keychain Access মেনুতে ক্লিক করি, এরপর Certificate Assistant এবং Request a Certificate from Certificate Authority .. ক্লিক করি। ইমেইল এড্রেস, নেম দিয়ে Save to disk এবং Let me specify key pair information টিক দিই। Continue করি এবং ডেক্সটপ এ ফাইল টি save করি। যদিও ডেক্সটপ বাদে যেকোনো যায়গায় save করা যেতে পারে। আবার Continue এবং পরিশেষে Done ক্লিক করি। এখন Keychain Access ক্লোজ করে দেয়া যেতে পারে।
এবার ব্রাউজার এ ফিরে যাই এবং Continue বাটন এ ক্লিক করে পরের পেইজে সদ্য তৈরী করা CSR ফাইলটি দেখিয়ে দেই এবং Continue বাটন এ ক্লিক করি।
পরের পেইজে Donwnload লেখা বাটন এ ক্লিক করে আমাদের Certificate টি ডাউনলোড করে নেই। ডাউনলোড শেষ হলে ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করলে সেটি Keychain Access এ Add হয়ে যাবে।

এরপরে আমাদের Google FCM এ কিছু কাজ করতে হবে। ধরে নিচ্ছি আগে থেকেই iOS এর জন্য একটা প্রোজেক্ট করা আছে। যার ID, Apple APN এ দেয়া bundle identifier এর মতো একদম একইরকম। এটা এতটাই ইম্পরট্যান্ট যে একরকম না হলে কাজ করবে না।
এখন Firebase এ যাই। Project নেইম এর পাশে গিয়ার আইকন এবং Project Setting এ ক্লিক করি। এরপর উপরের ট্যাব থেকে Cloud Messaging সিলেক্ট করি। এখন নিচের সেকশানে Development APN Certificate অংশে Upload Certificate ক্লিক করি। এই পপ আপ উইন্ডো তে দেখা যাবে এটা একতা .p12 টাইপ ফাইল একসেপ্ট করে। আমরা তো এ ধরণের কোন ফাইল তৈরী করিনি। চলুন প্রথমেই সেটা করে ফেলি।

আবার Keychain Access ওপেন করে আমাদের সার্টিফিকেট টি খুঁজে বের করি। সেটা এক্সপান্ড করে আমাদের দেয়া নামসহ যে Key দেখাবে এর উপর right ক্লিক করে export করি। আমি ডেক্সটপে Certificate নামেই ফাইলটি সেভ করলাম। এখানে password এর যায়গায় নিজের ইচ্ছেমত password দেয়া যাবে এবং সেটা লিখে বা মনে রাখতে হবে। এই password একটু পরেই আমাদের লাগবে। এরপরে Computer এর password চাইবে, এখানে কম্পিউটারের password দিয়ে Always Allow বাটন এ ক্লিক করি।
এখন Firebase এ আবার ফিরে যেয়ে আমাদের সদ্য তৈরী করা .p12 ফাইলটি দেখিয়ে দেই এবং .p12 ফাইল তৈরী করার সময় যে password দিয়েছি সেটা দেই। মনে রাখতে হবে এটা কম্পিউটার এর password নয় বরং যেই password টা আমাদের মনে রাখার কথা ছিল সেইটা।

তো এই ছিল APN সার্টিফিকেট তৈরীর পদ্ধতি। তবে এখনও আমারা Push Notification এর জন্য পুরপুরি তৈরী নই। কারণ FCM কে অ্যাপ এ রেজিস্টার করতে হবে। আজ এ পর্যন্তই, বাকিটা সামনের ব্লগে থাকবে।

ওয়েব ডিজাইন কি? নতুনদের জন্য নির্দেশনা

ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক সহজভাবে আলোচনা এই আর্টিকেলে করা হল।আপনি যদি একদম নতুন হয়ে থাকেন তাহলে অন্য কিছু শুরু করার আগে এই লেখাটি পড়ে নিন।

** যদিও শাব্দিক অর্থ ভিন্ন তবু ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট একি অর্থে ব্যাবহার করে এর শাব্দিক অর্থ লঙ্ঘন করা হচ্ছে।আপনি যদি বলেন আমি ওয়েব ডিজাইনার তাহলে ধরা হয় আপনি ডেভেলপমেন্ট এর কাজও জানেন।আসল অর্থ হল-ওয়েব ডেভেলপার=যে প্রোগ্রামার,কোডিং করে,অ্যাপ্লিকেশন তৈরী করে।আর ওয়েব ডিজাইনার=যে ডিজাইন করে,সাইটের বাহ্যিক রুপ কেমন হবে তা তৈরী করে,কোডিং করেনা।

প্রত্যেক ওয়েব ডেভেলপার এর নিচের বিষয়গুলি জানা উচিৎ

  • কিভাবে www কাজ করে
  • এইচটিএমএল
  • সিএসএস
  • জাভাস্ক্রিপ্ট
  • এক্সএমএল
  • সার্ভার স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ
  • SQL দিয়ে ডেটাবেস বানানো

WWW – World Wide Web

WWW হচ্ছে একটা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা সারা বিশ্বে ছড়ানো। WWW কেই বলা হয়ে থাকে Web.

এই ওয়েবে কম্পিউটারগুলো একটি অপরটির সাথে কিছু নিয়ম ও ভাষা ব্যাবহার করে যোগাযোগ করে থাকে।

W3C (The World Wide Web Consortium) এই ভাষা  এবং নিয়মগুলো তৈরী করে যাচ্ছে।

এইচটিএমএল- ওয়েবের ভাষা

এইচটিএমএল হচ্ছে ওয়েবের ভাষা, প্রত্যেক ওয়েব ডেভেলপারকে এর মৌলিক বিষয়াদি জানা চাই।

এইচটিএমএল এ  “markup tags” ব্যাবহার করা হয় ওয়েব পেজের লেআউট ও কনটেন্ট তৈরীর জন্য।

এইচটিএমএল tag <h1> ইংগিত করে এটা একটা header,এবং <p> একটা Paragraphp কে ইংগিত করে।

 

সিএসএস- ক্যাশক্যাডিং স্টাইল শিট

এটা দিয়ে এইচটিএমএল page কিভাবে দেখাবে তা ঠিক করা যায়।

যখন সিএসএস কোড গুলি আলাদা ভাবে সেভ করবেন তখন শুধু এই একটি ডকুমেন্ট এডিট করে পুরো এইচটিএমএল  পেজ চেহারা নিজের মত করে বদলে দিতে পারবেন।এই কাজ যদি এইচটিএমএল পেজে করতে হত তাহলে অনেক সময় বেশি লাগত এবং প্রতিটি পেজেই কোডগুলি লিখতে হত।

জাভাস্ক্রিপ্ট- ক্লাইন্ট সাইড স্ক্রিপ্টিং

জাভাস্ক্রিপ্ট ক্লাইন্ট সাইড স্ক্রিপ্টিং (ব্রাউজার স্ক্রিপ্টিং) এর জন্য ব্যাবহৃত হয়।এটা দিয়ে পেজে ডাইনামিক কনটেন্ট যোগ করতে পারবেন।

একটা জাভাস্ক্রিপ্ট statement দেখতে এমন: document.write(“<p>” + date + “</p>”)

 

এক্সএমএল- এক্সটেনসিবল মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ

এটা এইচটিএমএল এর পরিবর্তে ব্যাবহৃত হয় এমন নয় বরং এটা ডেটা বহন ও সংরক্ষন এর জন্য।

 

সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং

সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং হচ্ছে “programming” ওয়েব সার্ভারের জন্য।

পূর্নাঙ্গ ডাইনামিক কনট্ন্টে তৈরীর জন্য এটা জানতে হবে।Server-side scripting দ্বারা আপনি ডেটাবেস থেকে ডেটা তুলে এনে এইচটিএমএল page দেখাতে পারেন।(অনেক কাজের মধ্যে এটা একটা)

SQL দিয়ে ডেটাবেস বানানো

Structured Query Language (SQL) দিয়ে যেকোন ডেটাবেসে একসেস নিতে পারেন যেমন MySQL,Oracle ইত্যাদি।

এটা এমন একটা ইন্জিন যেটা দিয়ে ওয়েবে ডেটাবেসের সাথে তথ্য বিনিময় করা যায়।

 

জুমলা, ওয়ার্ডপ্রেস, ড্রুপাল এসব কি?

এসব হচ্ছে CMS (Content Management System) এখানে সাধারনত সবকিছু তৈরী করা থাকে(PHP MySQL দিয়ে) আপনি শুধু নিজের মত করে এডিট করবেন।আপনি যদি কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নাও জানেন তবুও এসব দিয়ে ডাইনামিক সাইট তৈরী করতে পারেন তবে যে প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ জানে সে এর কোড এডিট করে যত সুন্দর করতে পারবে আপনি তা পারবেননা।

পিএইচপির ৫টি চমকপ্রদ তথ্য

১. পিএইচপির বর্তমান ভার্সন হল ৫.৬ আর এ বছরের শেষের দিকে আসছে পিএইচপি ৭ ভার্সন। এ ভার্সনের প্রধান দুটি ফিচার হল

ইউনিকোড সাপোর্ট: পিএইচপির নতুন ভার্সনে বাংলাতেও ভেরিয়েবল ফাংশন ইত্যাদি লেখা যাবে। অর্থ্যাৎ পিএইচপি এখন ইউনিকোড সাপোর্টেড হতে যাচ্ছে।

দ্রুততা: আগের থেকে পিএইচপির এই ভার্সনের পারফরমেন্স প্রায় ২ গুন হয়ে যাবে। ফেসবুকের হিপহপ কমপাইলারের মত প্রযুক্তি থাকছে এখানে। একটা কনফারেন্সে পিএইচপির মুল ৩ জন নির্মাতার মধ্যে ১জন বলেছেন “ফেসবুকের হিপহপ আমাদের প্রযুক্তিটির competitor হবে

 

২. পৃথিবীর সর্বোচ্চ উদ্ভাবনী ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাক্তিদের মধ্যে ২ জন পিএইচপির নির্মাতা, অ্যান্ডি গাটম্যান এবং রাসমাস লার্ডফ (MIT রিপোর্ট অনুযায়ী)। তবে মজার ব্যাপার হল এদের একজনের লেখা পিএইচপির একটি বই আছে (নাম power php programming) তবে সেটা বেশি চলেনা।

 

৩. পিএইচপি দিয়েও ডেস্কটপ এপ্লিকেশন বানানো যায়। অন্যান্য ওয়েব ল্যাংগুয়েজের মত পিএইচপিরও একটা ল্যাংগুয়েজ bindings আছে GIMP toolkit এর জন্য।gtk.php.net এ আরও বিস্তারিত আছে।

 

৪. বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ৪০ ভাগ ওয়েবসাইট, ওয়েব এপ্লিকেশন পিএইচপি দিয়ে বানানো, অন্যান্য সব ল্যাংগুয়েজ মিলে বাকি অংশ। পৃথিবীর বিখ্যাত যেসব কোম্পানী পিএইচপি ব্যবহার করে তাদের মধ্যে আছে yahoo (yahoo bookmark, yahoo answers, feedback এসব পিএইচপি দিয়ে বানানো), magento (পৃথিবীতে যেসব এন্টারপ্রাইজ লেভেলের ইকমার্স সাইট দেখতেছেন এগুলির বেশির ভাগ ম্যাজেন্টো দিয়ে বানানো, ম্যাজেন্টো CMS টা আবার জেন্ড ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে বানানো), wikipedia, facebook, wordpress ইত্যাদি।

 

৫. আউটসোর্সিং সাইট যেমন ওডেস্ক (এখন নাম হয়েছে আপওয়ার্ক), ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদিতে প্রায় ৫০০ ধরনের কাজ পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৭০% ভাগেরও বেশি পিএইচপির কাজ।

প্রোগ্রামিং শেখার কিছু গাইডলাইন

ভাল প্রোগ্রামার হতে আগে ভাল ডিসিশন মেকার হতে হবে। ২/১ টি সাইট/বই আগে ঠিক করুন, শুধু এদুটি থেকেই শিখবেন। এরপর এখানে কিছু না বুঝলে গুগলে ঘাটাঘাটি করে ক্লিয়ার হয়ে আবার এদুটিতে ফিরে অাসুন। নিচে যে টিপসগুলি দিলাম এগুলি কোন বইয়ে থাকেনা, থাকে শুধু অভিজ্ঞতায়।

 

** গুগলে সার্চ দিলেই ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভলপমেন্টের শত শত সাইট/বই পাবেন, বাংলা ইংরেজী দুটোই। গনহারে সব ডাউনলোড করে হার্ডডিস্ক ভরিয়েন না। যখন আপনার কাছে অনেক অনেক বই/সাইট থাকবে তখন বেশিরভাগ সময় কাটবে এসব বই/সাইটের পাতা উল্টাতে। কোনটা ছেড়ে কোনটা পড়বেন এসবেই সময় শেষ। আসল কাজ শেখা আর হয়না।

** ইংরেজী বই/সাইট হলে অ্যামাজন এবং বিভিন্ন ব্লগে সেই সাইট/বইয়ের র‌্যাংকিং দেখুন, রেটিং দেখুন আর বাংলা হলে বিভিন্ন সাইটে ওয়েব ডিজাইন ডেভেলপমেন্টের জন্য বেশির ভাগ রিকমেন্ডেশন কোন সাইটের দিকে এসব দেখে ২/১ টি সাইট/বই মুল লার্নিং stuff হিসেবে নির্নয় করুন।

** ভিডিও টিউটোরিয়াল এর দিকে ঝোক বেশি হলে সর্বনাশ। যত টেক্সট টিউটোরিয়াল পড়া এবং তৎক্ষনাৎ সেটা প্রাকটিস করার ঝোক বেশি হবে ততই প্রোগ্রামিং শেখার সময় ক্ষুদ্র হয়ে যাবে এবং এটা ভাল লক্ষন।


** ওয়েব ডেভলপমেন্ট শেখার জন্য কোচিং সেন্টার খোজার প্রবনতা, বিভিন্ন আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসে দক্ষ না হয়েই একাউন্ট খোলা ইত্যাদি হল রোগ এবং প্রোগ্রামিং শেখার অন্তরায়।

** ফেসবুকের লাইকের সংখ্যা এবং অ্যালেক্সা র‌্যাংকিং দেখে কখনই কোন সাইটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েন না। কয়েকশ ডলার খরচ করলেই ফেসবুকে লাখ লাখ লাইক যোগাড় হয়ে যায়। আর অ্যালেক্সার র‌্যাংকিং কিছুটা ভূয়া।

প্রোগ্রামিং শিখতে চান কিন্তু CSE ব্যাকগ্রাউন্ড নয়, কি করবেন?

অনেকে ভাবেন পড়াশোনার পাশাপাশি প্রোগ্রামিং শিখে নেব এরপর ফ্রিল্যান্সিং করে হাজার হাজার ডলার কামাব। প্রথমেই বলে নেই পড়াশোনার পাশাপাশি প্রোগ্রামিং শিখতে পারবেন না, প্রোগ্রামিং শেখার পাশাপাশি পড়াশোনা করতে পারেন।

 

শিরোনাম দেখে আবার পড়াশোনা বাদ দিয়েননা। এটা বুঝাতে চাচ্ছি না। তবে জেনে রাখতে হবে যে, আপনি যদি ভাল প্রোগ্রামার হতে চান তাহলে চ্যালেন্জ face করতে হবে। দেশে বিদেশে লক্ষ লক্ষ CSE গ্রাজুয়েট আছে, তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করে টিকতে হলে তাদের চেয়ে আপনাকে একটু বেশিই জানতে হবে। তানাহলে একজন CSE গ্রাজুয়েটের বদলে আপনাকে নেয়ার কোন যৌক্তিক কারন নেই।

শুধু অবসর সময় কাজে লাগিয়ে আপনি এত ভাল প্রোগ্রামার হতে পারবেন না যে, আপনাকে কেউ লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে হায়ার করবে।

যারা CSE তে পড়ে তারা tiger. আর tiger সাথে fight দিতে হলে tiger ই হতে হবে।

 

বর্তমানে হাজার হাজার প্রোগ্রামার পৃথিবীতে আছে যারা কম্পিউটার সাইন্স এবং ইন্জিনিয়ারিং (CSE) এ পড়েনি কিংবা পড়া শুরু করলেও শেষ করেনি। বাংলাদেশেও এরুপ শতাধিক প্রোগ্রামার আছে। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এমন অনেককে চিনি যারা ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে মাসে প্রায় ৪/৫ হাজার ডলার আয় করছে এবং এদের কারোরই ব্যাকগ্রাউন্ড CSE নয়।

 

এমনকি দেশে বিদেশের অনেক প্রোগ্রামারের নাম আমি বলতে পারি যাদেরকে একনামে চিনবেন যেমন ফেসবুকের নির্মাতা মার্ক জুকারবার্গ হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে CSE সংশিষ্ট একটি বিষযে পড়া শুরু করেছিলেন কিন্তু শেষ করেন নি। বিল গেটসের নাম না জানে এমন কে আছে। মাইক্রোসফটের মালিক সেও পড়াশোনা শুরু করে শেষ করেনি। এরুপ অনেক আছে।

এসব দেখে পড়াশোনা আবার ছেড়ে দিয়েন না তবে প্রোগ্রামিং শিখতে চাইলে এটাকে passion বানাতে হবে। কোড করে মজা পেতে হবে।

কেন পিএইচপি শিখবেন? কেন পিএইচপি বিখ্যাত?

পিএইচপি ল্যাংগুয়েজটি পৃথিবীতে মাত্র কয়েক বছর হয় এসছে। পিএইচপিকে “Big Boys” ল্যাংগুয়েজ বলা হয় পিএইচপি৫ ভার্সন আসার পর থেকে যেখানে জাভা, সি এসব ল্যাংগুয়েজকে অনেক আগে থেকে “Big Boys” বলা হত। পিএইচপি৫ ভার্সন এসছে ২০০৪ সালে। এসেই বাজিমাৎ। বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ৪০ ভাগ (প্রায় ২৫০ মিলিয়ন সাইট – ২০১৩ পর্যন্ত) ওয়েব এপ্লিকেশন (সাইট) একা পিএইচপিতে তৈরী বাকি সব ল্যাংগুয়েজ মিলে ৬০ ভাগ। হুট করে এসে এত বিখ্যাত হবার কারন আছে..

. প্রায় সব ডেটাবেস সমর্থন করে : মুল ৫ টি ডেটাবেস সহ (Oracle, MySQL, PostgreSQL, SQLServer, MongoDB) প্রায় সব ডেটাবেস দিয়ে পিএইচপির কাজ করা যায়। যেকোন ডেটাবেস integrate করা তেমন কঠিন নয় বরং বহুল ব্যবহৃত ডেটাবেসগুলির ড্রাইভার পিএইচপিতে অটোমেটিক সেট করাই আছে।

. পিএইচপি ইন্জিন মানুষের ব্রেইনের মত : অন্যান্য ল্যাংগুয়েজ এর তুলনায় পিএইচপির ইন্জিন বেশি বুদ্ধিমান। এটা এভাবে যে এখানে ডেটা টাইপ ডিক্লেয়ার করতে হয়না সে নিজেই নিজেই ডেটা দেখে বুঝতে পারে এটা কোন ধরনের ডেটা (loosely typed language)। এছাড়া এখানে টাইপ কাস্ট করা যায় ফলে অপ্রত্যাশিত ভুল হয়না।

. সাপোর্ট এবং কমিউনিটি : বেশ ঘন ঘনই পিএইচপির আপডেট বের হচ্ছে এবং খুব দ্রুতই নতুন নতুন ফিচার যোগ করছে। এছাড়া পিএইচপির ব্যবহারকারী তথা কমিউনিটি অনেক বড়। অনেক। যেকোন সমস্যা হলে কোন ফোরামে প্রশ্ন দিলে যত তারাতারি সারা পাবেন অন্য ল্যাংগুয়েজে তা পাবেন না।

. শেখা সহজ এবং বড় প্রজেক্ট করা যায় : অন্যান্য ল্যাংগুয়েজের তুলনায় পিএইচপি শেখা সহজ। শুধু এইচটিএমএল এর মধ্যে কোড লিখে সার্ভারে রেখে ব্রাউজারে রান করালেই আউটপুট দেখতে পাচ্ছেন।

বর্তমানের পৃথিবীর সব বড় ওয়েব প্রজেক্টে পিএইচপি ব্যবহার হচ্ছে (যেমন ফেইসবুক, ম্যাজেন্টো ইত্যাদি) এবং পিএইচপি ৫ এ OOP এর পূর্নাঙ্গতা লাভ করাতে কোটি কোটি লাইন কোড লিখেও মেইনটিনেন্স এবং কোড রিফ্যাকটরিং ঝামেলার হচ্ছেনা। আরেকটা বড় সুবিধা হচ্ছে প্রজেক্টে সময় কম লাগে ফলে খরচ কম কিন্তু কাজ বেশি হয়।

. ইহূদী ডেভলপার : পৃথিবীতে সবচেয়ে ট্যালেন্ট হচ্ছে ইহূদীরা। পৃথিবীর সব বড় বড় আবিষ্কার এবং প্রজেক্ট দেখবেন এদের তৈরী। ফেসবুকের জুকারবার্গ কিংবা পারমানবিক বোমার আবিষ্কারক আইনস্টাইন এরা ইহূদী। এমনকি বর্তমানেও পৃথিবীর সব বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, গবেষক বেশিরভাগ ইহূদী। PHP এরও জন্মদাতা এন্ডি গাটম্যান, জিভ সুরাস্কি এবং আরো একজন এরা ইহূদী।

ইহূদীরা কেন এত ট্যালেন্ট এর কারন হিসেবে অনেক কথা প্রচলিত আছে, অনেকে বলে থাকে এরা মুসা (আ:) এর অনুসারী ছিল এবং এরাই ঐ জাতি যাদেরকে আল্লাহ জান্নাতের খাবার (খাবারটির নাম মান্না সালওয়া) খাইয়েছিলেন প্রায় ৪০ বছর। এমনকি ইতিহাসেও এমনটিই লেখা আছে। ধারনা করা হয় যেহেতু বর্তমান ইহূদীরা এদেরেই বংশধর এবং জান্নাতের খাবার খাওয়াতে এদের মেধা সাধারনের চেয়ে বেশি।

 

প্রোগ্রামার হতে ৫টি চাঞ্চল্যকর টিপস

প্রোগ্রামিং শেখা খুবই সহজ যদি যথাযথ পদ্ধতিতে শেখেন। এসব কৌশল না জানার কারনে অনেকেই কিভাবে শুরু করা উচিৎ বুঝতে পারেন না। এরুপ কিছু টিপস নিয়ে আমাদের এই বিশেষ আর্টিকেল

 

১. যখন শিখবেন তখনি প্রাকটিস : ধরুন আপনি এখন for লুপের টিউটোরিয়াল পড়লেন তো এখনই এ সংক্রান্ত ছোট ছোট প্রবলেম google থেকে বের করে নিজে নিজে সমাধান করুন যেমন সংখ্যার পিরামিড বানান কিংবা sql এর WHERE, Sub Query পড়লেন তো টেবিল থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মান বের করার চেষ্টা করুন ইত্যাদি।

 

২. সিএমএস পরে বরং raw কোড আগে : যেকোন প্রোগ্রামিং শিখতে চান না কেন আগে সেই ল্যাংগুয়েজ দিয়ে একটা নিজে নিজে প্রজেক্ট বানান। অবশ্যই সিএমএস দিয়ে নয় বরং raw কোড লিখুন। পিএইচপি শেখার সুত্র হচ্ছে “বসে যান এবং একটা প্রজেক্ট তৈরী করুন”।

 

৩. মানসিক স্থিরতা (Mental Stability) : প্রোগ্রামিং শেখার পূর্বশর্ত হল ধৈর্য্য। লম্বা সময় একটা সমস্যার পিছনে মনযোগ ধরে রাখতে পারতে হবে। ধরুন দুটি ছেলের একজন average talent তবে মানসিক স্থিরতা আছে আরেকজন খুব talent তবে brain scattered মানে মানসিক স্থিরতা নেই। এখন দুজনকেই একটি math solve করতে দিলে কে আগে সমাধান করবে? অবশ্যই যার মানসিক স্থিরতা আছে। সন্দেহ হলে পরীক্ষা করে দেখুন।

মানসিক স্থিরতা আছে কিনা কিভাবে বুঝবেন?
======================
ধরুন প্রোগ্রামিংয়ের কোন বই বা টিউটোরিয়াল পড়ছেন এবং ১ ঘন্টা পড়াকালীন অবস্থায় অনেকবার ফেইসবুক, অনলাইন পত্রিকা ঢুকেছেন কিংবা বিপরীত লিঙ্গের সামনে কিভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবেন এগুলি চিন্তা করেছেন, তাহলে নিশ্চিত আপনার মানসিক স্থিরতার অভাব বিদ্যমান।

যেভাবে মানসিক স্থিরতা আনতে পারেন:
===========================
অনেক পদ্ধতি আছে তবে একটা কার্যকরী নীতি বিয়ে করুন। বিয়ে করলে মানসিক স্থিরতা আসে এটাও বহুল প্রচলিত। বিবাহিতদের লৌকিকতা কম থাকে এবং এজন্য তাদের আউটপুট বেশি হয়। সম্ভবত এজন্য অনেক সফটওয়ার ফার্মে “বিবাহিত হতে হবে” এমন শর্ত জুড়ে দেয়।

৪. ভাল প্রোগ্রামারদের সংস্পর্শে আসুন : প্রোগ্রামারদের সাথে ওঠাবসা করুন, তাদের কথা শুনুন, তাদের প্রোফাইল দেখুন। এজন্য বিভিন্ন সময় এমনসব কর্মশালা বা কনফারেন্সে যাওয়া ভাল যেখানে বড় বড় বা ভাল প্রোগ্রামার রা লেকচার দেন।

৫. যাদের ব্যাকগ্রাউন্ড CSE নয় : CSE তে পড়েন না এমন কারো যদি প্রোগ্রামিং শেখার আগ্রহ থাকে প্রথমেই অর্থনৈতিক স্বাধীনতা প্রয়োজন। ২-২.৫ বছর কঠোর পরিশ্রম করা লাগতে পারে তবে পকেটে কোন টাকা ঢুকবেনা। ইনস্টান্ট টাকা কামানোর সুযোগ এই জগতে নেই।

প্রোগ্রামিং এ মনোযোগ ধরে রাখতে ৩টি কৌশল

প্রোগ্রামিং করার সময় ধৈর্য্য ধরে রাখাই একটা চ্যালেন্জ। লম্বা সময় সমস্যা নিয়ে চিন্তা করে একদম সমস্যার ভিতরে ঐ সময় পর্যন্ত থাকতে হয়, যতক্ষন সমাধান না হয়। এই আর্টিকেলে কিছু টিপস দিচ্ছি, প্রয়োগ করে দেখতে পারেন। কাজ হয়।

 

১. কোডিং করতেছেন এমন সময় একটা complexity আসল। ব্যাস সমস্যা শুরু, আর চিন্তা করতে ইচ্ছা করেনা। দেখবেন যখনই প্রবলেম আসে তখনই সেখানে সময় ব্যায় বাদ দিয়ে ফেসবুক বা অনলাইন পত্রিকায় চলে গেছেন। তখন মনোযোগ কোডিং এ ধরে রাখতে সাথে সাথে চেয়ার থেকে উঠে যান, ১/১.৫ মিনিট এদিক ওদিক হেটে এসে আবার বসুন। দেখবেন আবার কোডিং এ মাথা ঘামানোর এনার্জি চলে এসেছে। গ্যারান্টি।

 

২. ব্যাক্তিগত প্রজেক্টে কাজ করার সময়, বেশি প্লান করিয়েন না। যেমন আজকে সারাদিনে অমুক অমুক কাজ করব, আজকেই লগিন সিস্টেমটা কমপ্লিট করব, ডেটাবেসের ডিজাইনটা আজই শেষ করব ইত্যাদি। বেশি প্লান করে বসলে সেদিন আর কোন কাজই হয়না। অল্প অল্প কাজ করুন কিন্তু প্রতিদিন করুন। প্রতিদিন ছোট একটা কাজ হলেও করুন।

 

৩. সামাজিক সাইটগুলিতে থাকুন তবে শুধু ব্রাউজিং এর জন্য নয় বরং এসব ব্যবহার করে নিজের উপর চাপ বৃদ্ধি করুন। বিভিন্ন সাইটে কিংবা ব্লগে আর্টিকেল লিখুন। নিজের কোড শেয়ার করুন। stackoverflow কিংবা এরুপ জায়গাগুলিতে জড়িয়ে পড়ুন। যখনি আপনার আর্টিকেলে অনেক মন্তব্য পড়বে, মানুষ এটা ওটা প্রশ্ন করবে তখনি কোডিং এর স্পৃহা বাড়বে। চিন্তা করতে বাধ্য হয়ে যাবেন।

 

মোদ্দাকথা হল রিলাক্স হয়ে কাজ করতে হবে। তারাহুরা করে চিন্তা করলে গভীরে যাওয়া যায়না। এই রিলাক্স মুড আনতে যে কাজ করা দরকার সেটাই করতে হবে।